শুধু তোমায় পাশে চেয়েছিলাম । তোমার একটু ভালবাসা চেয়েছিলাম । আর দশটা ছেলের মত তোমার শরীরের প্রতি আমার কোন লোভ ছিলনা । কখনও কোন কামুক দৃষ্টিতেও আমি তোমার দিকে তাকাইনি । আমার নিস্পাপ ভালবাসা আমায় সেটা করতে দেয়নি । অন্যদিকে তাকানোর সময় কৈ বলো ? সৃষ্টিকর্তা যে চোখজোড়া দান করেছেন,ঐ চোখের দিকে তাকালেই আমি “চোখ তার চোরাবালি” কথাটার অর্থ বুঝতে পারি । একবার ঐ চোখে চোখ পড়লেই নিজে বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে ধারনা লোপ পায় । নিজেকে আবিষ্কার করি অচেনা কোন দেশে । মনে হয় যেন ক্রমেই আমি হারিয়ে যাচ্ছি ঐ অচেনা দেশে । জানি এসবেক কিছুই তুমি বুঝবে না । আমার পবিত্র ভালবাসা তুমি বুঝবেনা । কারন আমার ভালবাসার মাঝে কোন অতিরিক্ত প্রকাশবোধ ছিলনা । ছিলনা কোন ছলনার পরিকল্পনা । কখনও মিথ্যা বলার ইচ্ছাও আমার ছিলনা । আজ পর্যন্ত তোমার সাথে যে স্বল্প পরিসরের কথা বলার সুযোগ পেয়েছি কখনও মিথ্যা বলিনি । কেন মিথ্য বলব ? তোমায় তো আমি মিথ্যা ভালবাসিনি । আমি সবসময় তোমাকে আমারই একটা আংশ ভেবেছি । আর নিজের কাছে নিজের কোন কিছু লুকানোর থাকে না ।আমি জানি,একদিন তুমি ঠিক-ই বুঝবে আমি তোমায় কতটা ভালবাসতাম । তখন নীরবে দু ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন করা ছাড়া তোমার হয়ত কিছুই করার থাকবেনা । যদি সত্যিই এমন কোনদিন আসে,তবে তোমার কাছে আমার অনুরোধ থাকবে যে চোখদুটোর মাঝে আমি আমার সমস্ত সুখ দেখতে পাই ঐ চোখ জোড়ায় অশ্রু এনে আমার সুখগুলোকে ভাসিয়ে দিওনা ।সুবীর নন্দী স্যারের একটা গান,যেটার সাথে আমার জীবনের গল্পটা প্রায় মিলে যায়,সেই গানের কয়েকটা লাইন লিখে আজকের মত এখানেই ইতি টানছি ।
“ঐ দুটি চোখ যেন জলে ফোঁটা পদ্ম,
যত দেখি তৃষ্না মিটে না. . .
যত দেখি তৃষ্না মিটে না ।
যত দেখি তৃষ্না মিটে না. . .
যত দেখি তৃষ্না মিটে না ।
ভীরু দুটি বাঁকা ঠোঁটে পূর্নিমা চাঁদ ওঠে,
হাসলেই ঝড়ে পরে জোসনা. . .
হাসলেই ঝড়ে পরে জোসনা ।
হাসলেই ঝড়ে পরে জোসনা. . .
হাসলেই ঝড়ে পরে জোসনা ।
আমি ঐ রূপ দেখে দেখে মরতে পারি,
তেমনি পারি ওগো বাঁচতে. . .
সেকথা তুমি যদি জানতে. . . ”
তেমনি পারি ওগো বাঁচতে. . .
সেকথা তুমি যদি জানতে. . . ”
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন